ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের (আইইবি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত


উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দেশের সবচেয়ে প্রাচীন এবং বৃহৎ পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি) দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২০২০-২০২১ মেয়াদের আইইবির এ নির্বাচন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে। 

জানা যায়, সারা দেশে আইইবি’র ১৮টি কেন্দ্র, ৩২টি উপকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শুরুর পর থেকেই ব্যাপক আগ্রহ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রকৌশলীগণ তাদের ভোট প্রদান করেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থীদের সহঅবস্থানে এক আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। নির্বাচনে নিরাপত্তার স্বার্থে চার প্লাটুন পুলিশের পাশাপাশি আনসার, স্কাউটসহ স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনে ভোটাররা ওএমআর সিটের মাধ্যমে ভোট প্রদান করেন। এখন মেশিনের মাধ্যমে ভোট গণনা করা হবে। 

পিআরও সূত্রে জানা যায়, এবারের নির্বাচনে আইইবি সদর দফতরে ১০টি পদের বিপরীতে ৪২ জন প্রার্থী, ২৭টি কেন্দ্রীয় কাউন্সিল মেম্বার পদের জন্য ১৮০ জন, ৭টি বিভাগীয় কমিটির ৮৮টি পদের বিপরীতে ১৯৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের ৪টি পদের বিপরীতে ৯জন এবং ৩০টি লোকাল কাউন্সিল মেম্বার পদের বিপরীতে ১১৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ইঞ্জিনিয়ার্স রিক্রিয়েশন সেন্টার, ঢাকায় ১২টি পদের বিপরীতে ২২জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ৪টি পদের বিপরীতে ১৪ জন এবং ৮টি লোকাল কাউন্সিল মেম্বার পদের বিপরীতে ৫১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ইঞ্জিনিয়ার্স রিক্রিয়েশন সেন্টার, চট্টগ্রামে ৮টি পদের বিপরীতে ১০জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আইইবি খুলনা কেন্দ্রের ৪টি পদের বিপরীতে ৬ জন এবং ১৯টি লোকাল কাউন্সিল মেম্বার পদের বিপরীতে ২১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আইইবি রাজশাহী কেন্দ্রের ৪টি পদের বিপরীতে ১০ জন এবং ২১টি লোকাল কাউন্সিল মেম্বার পদের বিপরীতে ৩৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১৮,৮০৮ জন।

এদিকে কারচুপি, অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশর (আইইবি) নির্বাচন-২০২০ বর্জন করেছে প্রকৌশলী মো. মাহমুদ হোসেন ও প্রকৌশলী মিয়া মোহাম্মদ কাইউমের নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী প্যানেল। এর আগে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের একটি প্যানেলও নির্বাচন বর্জন করে।


No comments

Powered by Blogger.