অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমের ৬২তম জন্মদিন উদ্যাপন করলো চুয়েট পরিবার

ছবি-০১ : চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক . মোহাম্মদ রফিকুল আলমের ৬২তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে কেক কাটা হচ্ছে


চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমের ৬২তম জন্মদিন উদ্যাপন করেছে চুয়েট পরিবার। অদ্য ০১ জানুয়ারি (মঙ্গলবার), ২০২০ খ্রি. সকালে ভাইস চ্যান্সেলর কার্যালয়ে চুয়েট পরিবারের সদস্যদের সাথে নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন। এ সময় রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অফিস ও সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়মনগরে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম আবদুল হোসেন, মাতা মরহুমা খায়রুন্নেসা। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম চট্টগ্রামের তৎকালীন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের (বর্তমানে চুয়েট) ছাত্র হিসেবে ১৯৭৯ সালে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি কৃতিত্বের সাথে এম.এসসি ইঞ্জিনিয়ারিং এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক কনফারেন্সে ৫টি মূল্যবান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ১১টি জার্নালে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ প্রকাশ হয়। তাঁর প্রধান গবেষণা ক্ষেত্র হলো- Plasma Physics, Feedback System & Control Engineering, Modern Electronics প্রভৃতি।

বর্তমান ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমের গতিশীল নেতৃত্বে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রকৌশল শিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম শীর্ষ বিদ্যাপীঠ হিসেবে চুয়েট এগিয়ে যাচ্ছে। ২০১৬ সালের ২৭ এপ্রিল চুয়েটের ৫ম ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তাঁর নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলে ৩২০ কোটি টাকার একটি ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট প্ল্যান (ডিপিপি) একনেকে অনুমোদন হয়ে বর্তমানে পুরোদমে বাস্তবায়ন কাজ চলমান রয়েছে। এরফলে বর্তমানে চুয়েটে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও গবেষণা ল্যাবরেটরি স্থাপনসহ নানা উন্নয়ন কর্মকা- ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমের দৃঢতায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সর্বপ্রথম চুয়েটে নির্মিতব্য ‘শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া নতুন একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণ, জাতির জনক বন্ধবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণ, স্বাধীনতা ভাস্কর্য নির্মাণ, তিনতলা বিশিষ্ট ছাত্রকল্যাণ কমপ্লেক্স ও আন্তর্জাতিক অফিস (টিএসসি) নির্মাণ, এ.কে. খান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ৬তলা বিশিষ্ট বেগম শামসুন্নাহার খান হল নির্মাণ এবং বেশকিছু আধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপনসহ বেশকিছু উল্লেখযোগ্য সফলতা রয়েছে। পাশাপাশি উচ্চতর গবেষণা সুবিধার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ল্যাবরেটরি নির্মাণ, নতুন ছাত্র হল ও একাডেমিক ভবন নির্মাণ, মেডিকেল সেন্টারের আধুনিকায়ন ও নতুন মেডিকেল সেন্টার ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন বিভাগে উন্নতমানের ল্যাবরেটরি স্থাপন ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সম্প্রতি প্রায় এক হাজার কোটি টাকার আরো একটি ডিপিপি একনেকে পাঠানো হয়েছে।



No comments

Powered by Blogger.