দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া নাটোর জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন পুসানের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

PUSAN Logo

উত্তর বঙ্গের ঐতিহ্যবাহী জেলা নাটোর। নাটোর জেলার যে সকল শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছেন তাদের নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য ২০১৭সালে পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব নাটোর- বাংলাদেশ(পুসান) নামে একটি সংগঠনের পথচলা শুরু হয়। 

১৪ আগষ্ট সংগঠনটি মেধাবী মুখ মিলনমেলা নামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। উক্ত অনুষ্ঠানের আহবায়ক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তানভীর আনোয়ার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টাদের মধ্যে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের সহ-সভাপতি কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুস সোবাহান, প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ সৈকত সহ বেশ কয়েকজন এবং নাটোর-৪ আসনের এমপি আব্দুল কুদ্দুস। ১৫ আগস্ট ৮৩সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি প্রকাশ করে
সংগঠনটি।

জানা যায় যে, উক্ত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তানভীর আনোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাম রাব্বানী রঞ্জু। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাহিদ নয়ন।

সভাপতি তানভীর আনোয়ারের বাসা গুরুদাসপুর উপজেলায় এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী রঞ্জুর বাসা সিংড়া উপজেলায়।

পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব নাটোর- বাংলাদেশ সংগঠনটির ️উদ্দেশ্যসমূহ-
১.নাটোরের সাবেক-বর্তমান সকল পাবলিকিয়ানদের এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসার একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।
২.দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটোর জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি গঠনে উদ্বুদ্ধ করা।
৩.সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটোর জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির পরিচয় তুলে ধরা এবং সেই সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
৪.বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স প্রাপ্ত নবীনদের বরণ ও প্রাক্তনদের মধ্যে যারা তাদের পছন্দের জব পাবেন তাদের সংবর্ধনা দেওয়া ও তাদের অনুভূতি শোনা।
৫.এ্যাডমিশনের সময় নাটোর থেকে আগত পরীক্ষার্থীদেরকে প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটোর জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির সাথে পরিচয় করে দেওয়া।
৬.নাটোর জেলায় যে সকল সামাজিক সংগঠন দরিদ্র মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে কাজ করে; সেই সকল সংগঠনের পরিচয় তুলে ধরা; যাতে যাদের সমস্যা তারা যেনো সেখান থেকে সেই সহায়তা নিতে পারে।
৭.গ্রুপের কেউ তার বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্য কোথাও থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো স্বীকৃতি পেলে বা কেউ তার পছন্দের জব পেলে তাকে অভিনন্দন জানানো।
৮.বিভিন্ন সামাজিক কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া;হতে পারে সেটা নাটোরের কোথাও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী, (পিএসসি,জিএসসি,এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনার আয়োজন,রক্তদান কর্মসূচী,একদিনের জন্য নাটোর শহর পরিষ্কার কর্মসূচী, নিজেরা চাঁদা তুলে পথশিশুদের এক বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা,যেকোনো ধরণের জনসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।
৯.প্রতি বছর পর্যায়ক্রমে প্রতি উপজেলায় "মেধাবী মুখ মিলনমেলা" অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যেখানে নাটোরের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ করা।
১০.ভবিষ্যতে সংগঠনের একটি স্থায়ী অফিস থাকবে ঢাকাতে। যেখানে নাটোর জেলার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ারা একে অপরের সাথে সাক্ষাৎ, বিনোদন ও বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আলোচনাে মাধ্যমে সময় কাটাবে। (আমাদের মধ্য থেকেই কেউ সচিব,পুলিশ,ডিসি,ডাক্তার, প্রকৌশলী, ব্যাংকার, সাংসদ, বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান ইত্যাদি হবে)।
১১.সংগঠনের পক্ষ থেকে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তির ব্যবস্থা করা ইত্যাদি।

No comments

Powered by Blogger.