আগামী দিনের বাংলাদেশ হবে জ্ঞানভিত্তিক ডিজিটাল অর্থনীতিনির্ভর- শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, এমপি


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের লক্ষে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য সরকার যুগান্তকারী নানা উদ্যোগও গ্রহন করেছে। আমরা ইতিমধ্যেই এসব উদ্যোগের সুফলও দেখতে পাচ্ছি। জিডিপি বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে আতœপ্রকাশের সম্ভাবনাসহ অনেক বৈশ্বিক সূচকে আমরা এগিয়ে গিয়েছি। আগামী দিনের বাংলাদেশ হবে জ্ঞানভিত্তিক ডিজিটাল অর্থনীতির। এমন প্রেক্ষপটে চুয়েটের এই আর্ন্তজাতিক কনফারেন্স আয়োজন অত্যন্ত প্রশংসাযোগ্য।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল(ইসিই) অনুষদ-এর ÔÔInternational Conference on Electrical, Computer and Communication Engineering (ECCE 2019)’’ শীর্ষক আর্ন্তজাতিক কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। পর্যটন নগরী কক্সবাজারে দ্বিতীয়বারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিনদিনব্যাপী এই আর্ন্তজাতিক কনফারেন্স। এতে সভাপতিত্ব করেন কনফারেন্স অর্গানাইজিং কমিটির চেয়ারম্যান এবং তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল (ইসিই) অনুষদ-এর ডীন অধ্যাপক ড. কোশিক দেব। বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কনফারেন্স সেক্রেটারি ও চুয়েটের ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. রুবাইয়াৎ তানভীর হোসেন। অনুষ্ঠানে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি, এমপি-এর বাণী পড়ে শোনান চুয়েটের সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মীর মু: সাক্বী কাওসার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, এমপি আরো বলেন, বর্তমান সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বান্ধব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরিবারই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতিতে নানাভাবে সম্পৃক্ত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন প্রখ্যাত পরমাণু বিজ্ঞানী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণার প্রবক্তা এবং এটির সফল বাস্তবায়নে নেতত্বপ্রদানকারী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য সন্তান, মাননীয় তথ্য উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ জয় হলেন একজন তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক প্রকৌশলী এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের অন্যতম সফল বাস্তবায়নকারী। ফলে এ খাতের প্রসার বাড়ছে, বিপুল বিনিয়োগ হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের কনফারেন্স কেবল চুয়েট নয়, বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের ইমেজও বৃদ্ধি করবে। তিনি বাংলাভাষায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা এবং পাঠদানের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে সহজভাবে, আগ্রহের সাথে সকলে পড়তে পারে, বুঝতে পারে এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে পারে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শক্তিশালী নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নত দেশ হিসেবে আতœপ্রকাশের মিশনে আছে। এখানে প্রকৌশলীদের ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের কনফারেন্স বর্তমান সময়ের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্ববহ। কারণ সারাবিশ্বে তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল বিষয়ে নানা যুগান্তকারী আবিষ্কার ও উদ্ভাবন হচ্ছে। এ খাতে আমাদের দেশেও নানা অগ্রগতি এসেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন চুয়েটের ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. রকি বৈদ্য ও সিএসই বিভাগের প্রভাষক ফারজানা ইয়াসমিন।

এবারের আর্ন্তজাতিক কনফারেন্সে বাংলাদেশ এবং বিভিন্ন দেশ থেকে ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক, কম্পিউটার সায়েন্স, টেলিকমিউনিকেশন প্রভৃতি বিষয়ে শীর্ষস্থানীয় একাডেমিশিয়ান, সায়িন্টিস্ট, রিসার্চার, স্কলারস, ডিসিশন মেকার্সগণ অংশ নিচ্ছেন।

আগামীকাল ০৮ ফেব্রুয়ারি, সন্ধ্যা ৬:৩০টায় সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান। কনফারেন্সে স্পন্সর হিসেবে থাকছে UGC, AKS, DPDC,DESCO,RE,SEPERSIGN CABLES, Synesid IT,BTCL, RPCL। টেকনিক্যাল কো-স্পন্সর: IEEE

No comments

Powered by Blogger.