অদূর ভবিষ্যৎ এ কেউ আর ডাক্তার, প্রকৌশলী বা শিক্ষক হতে চাইবে না!!


দেশে যে ট্রেন্ড চালু হইছে, তাতে অদূর ভবিষ্যৎ এ কেউ
আর ডাক্তার, প্রকৌশলী, শিক্ষক হতে আগ্রহী হবে না
এবং গার্ডিয়ানরাও সেটা চাইবে না। বর্তমান সময়ে
পিতামাতারা তার সন্তান প্রকৌশলী, ডাক্তার, শিক্ষক
হবার পরেও যখন বলে যে বিসিএস দিয়ে পুলিশ বা আমলা
হও তখন বাস্তবতা যে ভয়ংকরী তা বুঝতে রকেট সায়েন্স
পড়ার দরকার নেই। রাষ্ট্র যখন যার যার যোগ্যতার
মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ তখন এমনটি হওয়াই স্বাভাবিক।
ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা আমরা বলি কিন্তু
প্রকৌশলগত বিদ্যার কোন গুরুত্ব বাস্তবে নেই।
যাইহোক, এভাবে চলতে থাকলে এমন একটা সময় আসবে
যখন সরকারী সব গুরুত্বপূর্ণ ডিপার্টমেন্টগুলোতে দক্ষ
জনশক্তি পাওয়া যাবে না। আমরা নামেমাত্র ডাক্তার,
প্রকৌশলী কিংবা শিক্ষক হবো। বিদেশী প্রশিক্ষণ
পরিনত হবে আনন্দভ্রমনে। সবকিছুতে কনসালটেন্ট
লাগবে। প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হবে তাদের বেতন
ভাতা প্রদানে। বিদেশ চলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়বে।
দেশে চিকিৎসা সেবা, শিক্ষার মত মৌলিক অধিকার
বলতে কিছু অবশিষ্ট থাকবে না, পরিনত হবে বাণিজ্যিক
শিল্পে। সবকিছু চলে যাবে রাজনীতিবিদ, আমলা আর
ব্যবসায়ীদের অধিকারে। তারা জনপ্রতিনিধি বা
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী থাকবে না, হয়ে উঠবে সেবকের
বদলে শোষক। বিশাল অনিয়ন্ত্রিত জনগোষ্ঠীর মধ্যেও
কোন শুভ পরিবর্তন আসবে না। কেননা শোষণ, বৈষম্য ও
অন্যায্য চর্চা মানুষের আচারনিষ্ঠাকে কখনও সুন্দরের
দিকে চালিত করতে পারে না। তবে বিপ্লব, সংগ্রাম,
সংঘাত, হানাহানি অনিবার্য!

No comments

Powered by Blogger.