রাবিতে পহেলা বৈশাখ উদযাপন


নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়েছে। নববর্ষকে স্বাগত জানাতে শনিবার সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো শোভাযাত্রা বের করে। বেলা বাড়তেই লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে ক্যাম্পাস। বিশেষ করে চারুকলা বিভাগের মেলা চত্বর, টুকিটাকি, শহীদুল্লাহ কলা ভবন চত্বর, রবীন্দ্র ভবনের সামনে ছিল চোখে পড়ার মতো।

তবে প্রতিবারের মতো এবারও আয়োজনের মূল উৎসব ছিলো চারুকলা অনুষদ। ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সকাল ১০টায় চারুকলা থেকে রাজশাহীর সবচেয়ে বড় মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করে।

শোভাযাত্রায় মূল আকর্ষণ ছিল প্রধান মোটিফ ‘বিদ্রোহের প্রতিক’ (ষাঁড়) এবং ‘শান্তির প্রতিক’ (পায়রা)। আর অশুভ শক্তি দূর কারার প্রত্যয়ে বড় বড় পাশা, মুকুটসহ ২০০টি ব্যতিক্রম ধর্মী মুখোশ।

শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রো-ভিসি প্রফেসর ড আনন্দ কুমার সাহা, রেজিস্টার এমএ বারী, প্রক্টর প্রফেসর লুৎফর রহমান, প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

বর্ষবরণের বিষয়ে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফা জাহান বলেন, ‘প্রতি বছরের ন্যায় এবারো নববর্ষকে বরণ করতে পুরো ক্যাম্পাস উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ক্যাম্পাস যেন সাংস্কৃতিক মননের বাঙালী সমাজের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।’
প্রথমবারের মতো নববর্ষকে পেয়ে সমাজকর্ম বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী কমরুল হাসান অভি বলেন, ‘প্রথমবার ক্যাম্পাসে বৈশাখ পেয়ে আমি খুবই অনিন্দিত। এর আগে এভাবে বৈশাখ পালন করা হয়নি।’

এদিকে প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী ক্যাম্পাসের সকল অনুষ্ঠান বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্ষবরণে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. লুৎফর রহমান বলেন, ‘বর্ষবরণ উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বিকেল ৫টায় মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



No comments

Powered by Blogger.