৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতির সনদের অনুলিপি আইসিটি বিভাগকে হস্তান্তর


বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে জাতিসংঘের ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতির সনদের অনুলিপি- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগকে গতকাল মঙ্গলবার গণভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী। 
 
বাঙালি জাতিকে করুণার চোখে দেখার দিন শেষ। দারিদ্র্যমুক্ত হয়ে মর্যাদাপূর্ণ জাতিতে রূপ নেওয়ার দিন আর বেশি দূর নয়। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও জাতির অর্জনকে সামনে রেখে এ প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

তিনি আশা করেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর অলিখিত ও স্বপ্রণোদিত ভাষণটি জাতির জন্য আজীবন প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। 

এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের তাৎপর্য অনুধাবনের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ১৯৭৫-পরবর্তী ইতিহাস বিকৃতির অংশ হিসেবে দুই যুগ নিষিদ্ধ ঐতিহাসিক ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর অলিখিত ও স্বপ্রণোদিত ভাষণটি জাতির জন্য আজীবন প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

জাতিসংঘের ইউনেস্কোর বিবেচনায় ওয়ার্ল্ড মেমোরিজ হিসেবে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের তালিকায় জায়গা করে নেওয়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মর্যাদা অনুধাবনে নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। আড়াই হাজার বছরের সব ভাষণ থেকে বাছাইকৃত ৪১টি ভাষণের তালিকায় স্থান পাওয়া ৭ মার্চের ভাষণের তাৎপর্য ওঠে আসে অনুষ্ঠানে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ভাষণ আমাদের এখনও উজ্জীবিত করে। তার প্রমাণ হচ্ছে- ১৯৭৫ সালের পর এই ভাষণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কেউ এই ভাষণ বাজাতে চাইলে তাকে নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে। আজ স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে এই ভাষণ আবার মানুষের কাছে ফিরে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এ ভাষণের আবেদন এখনও মুছে যায়নি। যখনই এই ভাষণ শুনি, তখনই শরীরে কাঁটা দিয়ে ওঠে। এই ভাষণ এখনও আমাদের জন্য প্রযোজ্য।

শেখ হাসিনা বলেন, পৃথিবীতে যত বিখ্যাত ভাষণ রয়েছে, এর মধ্যে মার্টিন লুথার কিংয়ের ভাষণটি ছাড়া বাকি সবগুলোই লিখিত। এর বাইরে একমাত্র বঙ্গবন্ধুর ভাষণটিই লিখিত নয়। এটি সম্পূর্ণ তার নিজের মনের কথা। ইতিহাসে এমন নজির বিরল। 
 
 

No comments

Powered by Blogger.