নেপালে বিদ্ধস্ত বিমানে ছিলেন রুয়েটের শিক্ষক ইমরানা ও তার স্বামী :: ইমরানা বেঁচে আছেন, খোঁজ মেলেনি স্বামীর


নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্লেনে স্বামীসহ ছিলেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষিকা ইমরানা কবির হাসি। ১৫ দিনের ছুটিতে তারা বেড়াতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগেই তাদের প্লেন বিধ্বস্ত হয়।

তবে রুয়েট শিক্ষিকা ইমরানা কবির হাসিকে বর্তমানে নেপালের কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে  ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যায় রুয়েট কর্তৃপক্ষ বাংলানিউজ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তবে তার স্বামীর অবস্থা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে তিনি মারা গেছেন।

বিমানে ওঠার আগে হাসির শেষ বাক্য ছিল, 'ভ্যাকেশন স্টার্টস নাউ।' সেই স্ট্যাটাসের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী দুজনের ছবিও যুক্ত করেন তিনি। 

রুয়েট জনসংযোগ দফতরের উপ-পরিচালক জিএম মর্তুজা বাংলানিউজকে বলেন, ইমরানা কবির হাসি রুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক। তার বাড়ি টাঙ্গাইলে হলেও তিনি রাজশাহী মহানগরীর মোনাফের মোড় এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়ায় থাকেন। তার স্বামী রকিবুল হাসান একই বিভাগে ছাত্র ছিলেন। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি সফটওয়ার কোম্পানিতে চাকরি করেন।
এর মধ্যে ইমরানা কবির হাসি, ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অ্যাসিসটেন্ট প্রফেসর হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি ও তার স্বামী রুয়েটের একই বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। 

এদিকে, ইমরানা কবির হাসির রাজশাহী মোন্নাফের মোড়ের ভাড়া বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে তা তালাবদ্ধ। মোন্নাফের মোড়ের এই দু’তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে তিনি ভাড়া থাকতেন।


প্রসঙ্গত, পাইলট ও ক্রুসহ ৭১ আরোহী নিয়ে নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনের বিমান দুপুর ২টা ২০মিনিটে বিধ্বস্ত হয়। এতে ৫০ জন নিহত ও ১৭ জন আহত হয়। বিমানের অধিকাংশ যাত্রী ছিল বাংলাদেশ ও নেপালের নাগরিক। চীন ও মালদ্বীপের একজন করে যাত্রী ছিল। নেপালের ৫টি হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

No comments

Powered by Blogger.