বাকৃবিতে ‘কৃষিবিদ দিবস’ পালিত


বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাকৃবি শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘কৃষিবিদ দিবস’ উদযাপিত হয়েছে। ‘কৃষিবিদ দিবস’ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি চত্ত্বরে পুস্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও পিঠা উৎসবের মাধ্যমে ‘কৃষিবিদ দিবস’ উদযাপিত হয়।

সকাল সাড়ে ১০টার বাকৃবি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাকৃবি শাখার সভাপতি কৃষিবিদ প্রফেসর ড. মো. আখতার হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ‘কৃষিবিদ দিবস’ উদযাপিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আবদুল মান্নান এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলী আকবর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মো. জসিমউদ্দিন খান।

এছাড়া ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সচ্চিদানন্দ দাস চৌধুরী, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এএস মাহফুজুল বারি, বাকৃবি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের নির্বাহী সভাপতি কৃষিবিদ হামিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাকৃবি শাখার সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ প্রফেসর মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। আলোচনা সভায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কেআইবির যুগ্ম মহাসচিব প্রফেসর ড. একেএম জাকির হোসেন।
বক্তব্য রাখেন বাকৃবি বাকৃবি অফিসার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মুহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান আলমগীর, ছাত্রলীগ সভাপতি সবুজ কাজী, সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ রুবেল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিবিদ আবদুল মান্নান তাঁর বক্তব্যে বলেন, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ছিল একটি তলাবিহীন ঝুড়ির মতো। দেশের ওই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য কৃষিবিদদের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।

তাই ১৯৭৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্ত্বরে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা প্রদান করেন। সে প্রেক্ষিতে ২০১০ সালে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) এক সাধারণ সভায় ১৩ ফেব্রুয়ারিকে কৃষিবিদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

তাই ২০১১ সাল থেকে প্রতিবছরই ওই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: আলী আকবর তাঁর বক্তব্যে বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষক ও কৃষিকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, যারা কৃষি নিয়ে কাজ করে তারাই সভ্যতার নির্মাতা। প্রাচীণ মর্যাদাপূর্ণ পেশা কৃষি। দেশের উন্নয়ন করতে হলে কৃষিতে উন্নয়ন করতে হবে বঙ্গবন্ধু সেটা উপলদ্ধি করেই কৃষিবিদদের ১ম শ্রেণীর পদমর্যদা দিয়েছিলেন, কৃষিবিদরা তার মর্যদা রেখেছেন। দেশ আজ খাদ্যে সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ।

কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিপুল সংখ্যক ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী, কর্মকর্তা কর্মচারিগণ অংশ নেন।


Powered by Blogger.