কুয়েটে ‘আইসিসিইএসডি ২০১৮’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু


খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) তিন দিনব্যাপী ৪র্থ “ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ফর সাসটেইন্যাবল ডেভেলপমেন্ট (আইসিসিইএসডি ২০১৮)” শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শুরু হয়েছে। 

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আয়োজনে এবং সেভেন রিংস সিমেন্ট, আমান সিমেন্ট ও সিভিল সিআরটিএস এর সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারে ০৯ ফেব্র“য়ারি শুক্রবার সকাল ১০টায় কনফারেন্সটির শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কনফারেন্সের চীফ প্যাট্রোন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের সাবেক ডীন প্রফেসর ড. এম ফিরোজ আহমেদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডর এ কে এম ফারুক হাসান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন সম্মেলনের চেয়ার সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. কাজী হামিদুল বারী এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তৃতা করেন সম্মেলনের সেক্রেটারি প্রফেসর ড. আবু জাকির মোর্শেদ।

প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় বলেন, কনফারেন্সের মূল প্রতিপাদ্য সাসটেইন্যাবল ডেভেলপমেন্ট বিষয়টি এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে, জীবনের মান উন্নয়নে এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে একটি উন্নত ও নিরাপদ ভবিষ্যত উপহার দিতে সাসটেইন্যাবল অর্থাৎ দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। উন্নয়নের এই সময়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের পর্বতসম সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের মাধ্যমে তাঁরা সহজেই উন্নয়নের পর্বতের চুড়ায় আরহণ করতে সক্ষম হবে। কুয়েট ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেলে পরিনত হয়েছে। এক্ষেত্রে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সাসটেইন্যাবল ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে সিভিল ইঞ্জিনিয়াররাই ১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশকে কাংখিত উন্নয়নের পথে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

উদ্বোধনী দিনে কী-নোট সেশনে স্পীকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউআইটিএস এর সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ মাজহারুল হক এবং অস্ট্রেলিয়ার ইনস্টিটিউট ফর সাসটেইন্যাবল ইন্ড্রাস্ট্রিজ এন্ড লাইভএবল সিটিজ এর প্রফেসর ড. খালিদ এ. এম. মঈনুদ্দিন।

সম্মেলনে মোট ২টি কী-নোট সেশন এবং ১৮টি টেকনিক্যাল সেশনে বাংলাদেশ, ভারত, জাপান, চীন ও অস্ট্রেলিয়ার গবেষকদের মোট ১৩৪টি টেকনিক্যাল পেপার উপস্থাপিত হবে। সম্মেলনে দুইশতাধিক প্রতিথযশা গবেষক, শিক্ষক, স্বনামধন্য প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদগণসহ অন্যান্যরা অংশগ্রহন করেন।



No comments

Powered by Blogger.