একুশের চেতনাকে ধারণ করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রে একুশ উদযাপন



ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ চট্টগ্রাম কেন্দ্রের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উদযাপন করা হয়। 

আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যানদ্বয় ও সম্মানী সম্পাদকের নেতৃত্বে সকালে জাতীয় পতাকা (অর্ধনমিত) এবং কালো পতাকা উত্তোলন, প্রভাতফেরী করে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ। 

সকাল ৯:৩০ মিনিটে কেন্দ্রের মিলনায়তনে প্রকৌশলী পরিবারের সন্তানদের অংশগ্রহণে ‘চিত্রাংকন’ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকার স্কুল ও কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মাঝে ‘রচনা’ প্রতিযোগিতা’র আয়োজন করা হয়। 
কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সাদেক মোহাম্মদ চৌধুরী এর সভাপতিত্বে এবং সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রের ভাইস-চেয়ারম্যান (একা. এন্ড এইচআরডি) প্রকৌশলী এম. এ. রশীদ, ভাইস-চেয়ারম্যান (এডমিন. প্রফেশ. এন্ড এসডবিøউ) প্রকৌশলী উদয় শেখর দত্ত, কেন্দ্রের প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন, নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ রফিকুল আলম, নবনির্বাচিত সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক ও প্রকৌশলী খোরশেদ উদ্দিন বাদল প্রমুখ। 

বক্তারা বলেন, অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার লক্ষে যে চেতনায় বাঙালিরা ১৯৫২ সালে মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ করেছিল তারই চেতনা ধারণ করে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল পুরো বাঙালি জাতি। অবশেষে বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে শোষনহীন গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। বক্তারা আরো বলেন, মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাঙালি জিিত ৫২ সালে এবং ১৯৭১ সালে বাঙালির সূর্য সন্তানেরা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তা অর্থবহ করে তুলতে মাতৃভাষা চর্চার বিকল্প নেই।

আবৃত্তি অনুষ্ঠানে একুশের কবিতা আবৃত্তি করেন কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সাদেক মোহাম্মদ চৌধুরী, ভাইস-চেয়ারম্যান (একা. এন্ড এইচআরডি) প্রকৌশলী এম. এ. রশীদ, ভাইস-চেয়ারম্যান (এডমিন. প্রফেশ. এন্ড এসডবিøউ) প্রকৌশলী উদয় শেখর দত্ত, সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন, প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন, কাউন্সিল সদস্য প্রকৌশলী প্রবীর কুমার দে, প্রকৌশলী দেবব্রত দাশ, প্রকৌশলী রুহুল কাদের আজাদ, প্রকৌশলী প্রদীপ বড়–য়া ও প্রকৌশলী পলাশ কান্তি দে। 

পরে কেন্দ্রের সাংস্কৃতিক কমিটি এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক কমিটির ব্যবস্থাপনায় দেশাত্ববোধক সঙ্গীতানুষ্ঠানে প্রকৌশলী পরিবারের সদস্য মিসেস জয়ন্তী দাশ মিষ্টু, মিসেস মিতা চক্রবর্তী, মিসেস পপি বিশ্বাস, মিসেস মেমোরি দাশ, প্রতিথি ইসলাম বুনন, অদৃজা সেন, অপ্সরা, রুদাবা হায়দার, বাবুই, তাহ্সীন সাদেক চৌধুরী, তাসফিয়া আয়েশা মালিহা ও প্রকৌশলী বিধান চন্দ্র দাস সঙ্গীত পরিবেশন করেন। সবশেষে চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার এবং প্রতিযোগিতায় সকল অংশগ্রহণকারী শিশু কিশোরদের মাঝে উৎসাহ পুরস্কার প্রদান করা হয়। 


No comments

Powered by Blogger.