পিরোজপুরে আমন উৎপাদন অতীতের রেকর্ড অতিক্রম করেছে


জেলায় এবার আমন চাল এর উৎপাদন অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে। চলতি বছরে আমন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ১৪ হাজার ৪শ’ ১৮ মেট্রিক টন নির্ধারণ করা হলেও উৎপাদন হয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪শ’ ৩১ মেট্রিক টন যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২০ হাজার মেট্রিক টন বেশি।

পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১০ হাজার ২শ’ ১০ হেক্টরে ২০ হাজার ৩শ’ ৪২ মেট্রিক টন, ইন্দুরকানীতে ৫ হাজার ৪শ’ ৩৬ হেক্টরে ১১ হাজার ৩১ মেট্রিক টন, কাউখালীতে ৪ হাজার ৬শ’ ৫০ হেক্টরে ৮ হাজার ৯শ’ ৭ মেট্রিক টন, নেছারাবাদে ৯ হাজার ৪শ’ ৬৫ হেক্টরে ১৬ হাজার ৪শত ৩১ মেট্রিক টন, নাজিরপুরে ৭ হাজার ৯৯ হেক্টরে ১৬ হাজার ৩শ’ ৭৫ মেট্রিক টন, ভান্ডারিয়ায় ৮ হাজার ১শ’ ৯৫ হেক্টরে ১৫ হাজার ৯শ’ ৪০ মেট্রিক টন এবং মঠবাড়িয়ায় ২০ হাজার ৩শ’ ৭০ হেক্টরে ৪৫ হাজার ৪শ’ ৫ মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হয়েছে। পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অরুন রায় জানিয়েছেন ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে হাইব্রিড, উফশী, স্থানীয় রোপা, স্থানীয় বোনা মিলিয়ে ৬৫ হাজার ৪শ’ ২৫ হেক্টরে আমনের চাষ করা হয় এবং চাল উৎপাদনের পরিমাণ দাড়ায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪শ’ ৩১ মেট্রিক টন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবু হেনা মোহাম্মদ জাফর বাসসকে জানান, আমন ধানের শীষ বের হওয়ার সময় আমন ফসলের কিছু কিছু ক্ষেতে পোকার আক্রমণ শুরু হলেও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের উপদেশ অনুযায়ী কৃষকরা ব্যবস্থা নেওয়ায় উৎপাদনের কোন ক্ষতি হয়নি। কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কর্মকর্তাগণ মাঠ ঘুরে পাতামোড়ানো এবং পামরী পোকার দমনে আলোক ফাঁদ এবং পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহারের পরামর্শ দেয়। সে অনুযায়ী চাষিরা ব্যবস্থা গ্রহণ করায় সহজেই পোকা দমন ও বিস্তার রোধ সম্ভব হয়। এছাড়া আবহাওয়া অনুকূলে থাকায়, সারের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় এবং চাষিদের হাতের নাগালে কৃষি উপকরণ থাকার ফলে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করা সম্ভব হয়েছে। 


 (বাসস)

Powered by Blogger.