টিভি অনুষ্ঠানের মানোন্নয়নে প্রাধান্য, সুপারিশে নয় : তথ্য প্রতিমন্ত্রী


তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, টিভি অনুষ্ঠানের মানোন্নয়নকেই সবার আগে বিবেচনা করতে হবে, সুপারিশকে নয়। বিটিভিসহ সকল টেলিভিশনই তা বজায় রাখলে দেশের গণমাধ্যমের উন্নয়ন হবে, উপকৃত হবে জাতি।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে ঢাবি’র টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী টিভি অনুষ্ঠানের সঙ্গে চলচ্চিত্রে উন্নয়নের দিকেও আলাকপাত করেন। চলচ্চিত্র শিক্ষার্থীরাও যাতে সরকারি অনুদানে চলচ্চিত্র নির্মাণের সুযোগ পায়, তারানা হালিম সেজন্য প্রস্তাব উত্থাপনের প্রত্যয় ব্যক্ত করলে বিভাগের সবাই তাকে অভিনন্দন জানান।

শিগগির নবম ওয়েজবোর্ড ও সম্প্রচার আইন আসছে জানিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী সংবাদপত্রের বিষয়ে বলেন, ‘অষ্টম ওয়েজ বোর্ড রয়েছে। কিন্তু মালিক যারা আছেন, তারা কি সেই অষ্টম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন করেছেন? সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করে। তাদের প্রাপ্য বুঝিয়ে দিতে হবে।’

সাংবাদিকতায় শুদ্ধাচার প্রসঙ্গে তারানা হালিম বলেন, ‘সাংবাদিকতায় সুবচন ফিরিয়ে আনতে হবে। হাতে কলম থাকলেই সবকিছু লেখা যায় না। কলম দিয়ে শুধু সত্য লিখতে হবে, অর্ধসত্য নয়। সত্যই শক্তি, আর অর্ধসত্য ভয়াবহ এবং পরিত্যাজ্য।’

দেশের জন্য স্বপ্ন ও সংগ্রামকে উৎসাহিত করে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের বলেন, ‘আমরা জীবনে চলার পথে ছোট ছোট অনেক গুলো যুদ্ধে হারি, কিন্তু আমাদের প্রত্যয়, আমরা বড় যুদ্ধে জিতব। স্বপ্ন বাস্তবায়নে হার মানবো না। কারণ, হার মানার অর্থ স্বপ্নের ইতি।’

বিভাগের চেয়ারপার্সন রিফ্ফাত ফেরদৌসের সভাপতিত্বে আলোচনায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া, একুশে টেলিভিশনের সিইও মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা সালাউদ্দিন জাকি সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন।

অনুষ্ঠান শেষে বিভাগের স্টুডিও পরিদর্শন করেন তারানা হালিম। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, কেককাটা ও ফিল্ম, স্কিনিং ও পুরষ্কার বিতরণ আয়োজন করেছে বিভাগটি। 


(বাসস)

 

No comments

Powered by Blogger.