টেলিকমে প্রত্যাশা পূরণে নতুন বছরে জন্য অপেক্ষা


নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদলের (এমএনপি) সেবার লাইসেন্স দিতে পারলেও উৎক্ষেপণ সূচির জটে পড়ায় ২০১৭ সালে মহাকাশে যেতে পারছে না বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’। অন্যদিকে ফোরজি এবং তরঙ্গ নিলামের নীতিমালা নিয়ে টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে ব্যস্ত বছর পার করেছে বাংলাদেশের টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। বিডিনিউজ

নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক বছর পর পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চালু হয়েছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন। দেশে তৈরি প্রথম স্মার্টফোন কারখানার যাত্রা শুরুর পাশাপাশি উৎপাদনও শুরু হয়েছে এবছরই। ২০১৭ হাতে নেওয়া বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নতুন বছরে আলোর মুখ দেখবে জানিয়ে ২০১৮ সালকে ‘প্রত্যাশা পূরণের বছর’ হিসেবে দেখছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসি। টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, ফোরজি, স্যাটেলাইট, এমএনপি নিয়ে যে উদ্যেগগুলো নেওয়া হয়েছিল, এসব সেবা সাধারণের কাছে পৌঁছাবে আগামী বছরের শুরুতেই।  আগামী বছরে কয়েকটি ক্ষেত্রে গ্রাহকরা ভালো সেবা পাবেন বলে আশা করছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ।
 
আগামী বছর ফোরজি, স্যাটেলাইট, এমএনপি সেবা গ্রাহক পর্যায়ে চলে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি মহাকাশ অনুসন্ধান ও প্রযুক্তি কোম্পানি ‘স্পেসএক্স’ এর ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে এ বছর ১৬ ডিসেম্বর ফ্লোরিডার কেইপ কেনাভেরালের লঞ্চ প্যাড থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু হারিকেন আরমায় ফ্লোরিডায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় ওই লঞ্চ প্যাড থেকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ বন্ধ থাকে।  নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক বছর পর গত সেপ্টেম্বরে পটুয়াখালীতে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন চালু হওয়ায় সাউথইস্ট এশিয়া-মিডলইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সাবমেরিন কেবল থেকে সেকেন্ডে ১ হাজার ৫০০ গিগাবিট (জিবি) গতির ইন্টারনেট পাবে বাংলাদেশ। এতে করে বাংলাদেশের টেলিকম কোম্পানিগুলোকে আর বিদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ কিনতে হবে না  বলে সরকার আশা করছে।

No comments

Powered by Blogger.